মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন পীরগঞ্জে থমকে গেছে পৌরসভার  সড়কের উন্নয়নের কাজ!!-প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর পীরগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার স্বর্ণের হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘোড়া ঘাটে সড়ক দূর্ঘটনায় মা ও মেয়ে নিহত চালক আহত

কিশোরগঞ্জে ভিক্ষার টাকায় চলে মুক্তিযোদ্ধার জীবন

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩২০ বার পঠিত

কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ) থেকে সুবল চন্দ্র দাস ।- ডিঙ্গি নৌকা বেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে পালানোর সময় পাকিস্তান সেনাদের গুলি লাগে ইদ্রিস আলীর পিঠে। সেই ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। কিন্তু সে জন্য তার আফসোস নেই। আফসোস এই বৃদ্ধ বয়সে তাকেঅন্যের কাছে চেয়ে চিন্তে খেতে হয়। টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় থাকতে হয়। ৬২ বছর বয়সে তিনি কণ্ঠে গভীর ক্ষোভ নিয়ে বলেন, ‘সবাই চেনে আমাকে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসে কম্বল আর উপহার সামগ্রী দেয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত কাগজে কলমে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মিলল না। মুক্তিযোদ্ধা ভাতাটা পেলে অন্তত জীবনটা একটু সহজ হতো।’ নয় সদস্যের সংসার চালাতে কিছুদিন আগেও চানাচুর বিক্রি করতেন ইদ্রিস আলী। এখন শরীর একেবারেই চলে না। দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করায় পুরোনো ক্ষতটাও যন্ত্রণা দিয়ে চলেছে ক্রমাগত। ১৯৯৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলীর অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে ডা. হাসান নামে এক চিকিৎসক তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ছয় মাস চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বর্তমানে আবারও বেড়েছে তার যন্ত্রণা। ওই সময় তৎকালীন প্রধানন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসক কিশোরগঞ্জকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালে ৮ নভেম্বর জেলা প্রশাসন বরাবর পাঠানো প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মুক্তিযুদ্ধে ইদ্রিস আলীর ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করে সরকারিভাবে তার উন্নত চিকিৎসা করার প্রয়োজন। অথচ এর পর দীর্ঘ ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও চিকিৎসার ব্যাপারে কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তার কোনো জমি নেই। সরকারি কোনো ভাতা নেই। নিজ গ্রামের ধোবা জোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে একটি ঘর উঠিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com