বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পীরগঞ্জে মসজিদের ঢালাই কাজের উদ্বোধন বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে আমাদের ভাবনা বিরামপুরে মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে পালিত পীরগঞ্জে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত   বিষয়টি দেখা দরকার  পীপীরগঞ্জে ব্র্যাক এর  প্রবাস বন্ধু ফোরাম কমিটির ত্রৈয়মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কবিতা-শরৎ রূপের অনুরাগে কবিতা-বর্ষার ব্রতে শরৎ হাসে করতোয়া নদিতে অর্ধশতাধিক পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন হয়   অজ্ঞাত কারনে ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন  পীরগঞ্জ মাতৃসদন ক্লিনিকে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, স্বজনদের আহাজারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ইন্তেকাল করেছেন

আগমনি শীতের আমেজে শাক সবজির দাম বেশ চড়া

রিপোটারের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭৯৭ বার পঠিত

বজ্রকথা ডেক্স।- রাজধানীর বাজারে শীতের আগাম সবজি আসতে শুরু করেছে। গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহও গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বাড়ছে। তারপরেও দাম কমছে না। চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সবজি। বৃহস্পতিবার মিরপুর-১, কারওয়ান বাজার, উত্তর পীরেরবাগ ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার গিয়ে দেখা গেছে, শীতের সবজি বাঁধাকপি, ফুলকপি ও শিম অল্প পরিমাণে বাজারে এসেছে। তবে এসব সবজির দাম বেশ চড়া। মিরপুর-১ নম্বর বাজারের সবজি বিক্রেতা সজিব মিয়া বলেন, বন্যার কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সবজির সরবরাহ কম। এ কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে আগের সপ্তাহের চেয়ে এখন সবজি বেশি আসছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমছে না। তাছাড়া শীতের আগাম সবজি সব সময় একটু বেশি দামেই বিক্রি হয়। বাজারে নতুন সবজি শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। ছোট আকারের প্রতিটি ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যগুলোর দাম চড়া থাকায় নতুন এই সবজির চাহিদা ছিল বেশি। উত্তর পীরেরবাগ সবজি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, গত বছর এই সময়ে কপি একই দামে বিক্রি হয়েছে। কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আঃ রহমান বলেন, গত বছর মৌসুমের শুরুতে শিম আড়াইশ’ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন তিনি। এবার কেজিতে অন্তত ৫০ টাকা কমে পাচ্ছেন ক্রেতা। তবে অন্য সবজির দাম এখনও বেশ চড়া। বাজারে এখনও পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। গাজর ৮০ থেকে ১০০, করলা ৮০ থেকে ১০০, বেগুন ও বরবটি ৭০ থেকে ৮০, পোটল ও কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০ এবং প্রতিটি লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে কাঁচামরিচের কেজি ছিল ৩০০ টাকা। এখন তা কমে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা হয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল লিটারে দুই টাকা বেড়ে মানভেদে ৮৫ থেকে ৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মসুর ডাল কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। এখন প্রতিকেজি বড় দানা মসুর ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, মাঝারি দানা ৯০ থেকে ১১০ টাকা ও ছোট দানা ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2022 বজ্রকথা।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Hostitbd.Com