বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলেন বিজিবি ও এলাকাবাসি
মোঃ আবু সাঈদ,বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি-দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর সীমান্ত দিয়ে ২৫ থেকে ২৬ জন ভারতীয়কে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পরে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও এলাকাবাসি দের সতর্কতার কারনে তারা ভারতে ফিরে যায়। এঘটায় ওই এলাকা দিয়ে পুশইন ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রবিবার রাত ১১ টায় উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের দাউদপুর বিওপির অধীনে সীমান্তের ২৮৯/৪৬ এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার মাহাবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি বিজিবি জানায়, রাত এগারোটার দিকে ভারত কাঁটা তারের বেড়া অতিক্রম করে বেশ কিছু ভারতীয়কে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফের সদস্যরা। বাংলাদেশে প্রবেশের সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে। পরে তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।
সরেজমিনে সাড়ে বারোটা দিকে সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে লাঠি হাতে স্থানীয় পুরুষের পাশাপাশি নারীরা গ্রামের মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছেন। পোস্টের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন হয়ে আছে।
স্থানীয় মোল্লা নামের এক যুবক জানান,রাতে আমি বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এসময় বেশ কিছু ভারতীয় বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। এসময় আমি চিল্লাচিল্লি করলে পোস্টে থাকা বিজিবি এবং গ্রামবাসীরা সেখানে উপস্থিত হলে বিএসএফের সদস্যরা তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
রুবেল হোসেন জানান, প্রথম দিকে তাদের প্রতিহত করলে এর বেশ কিছুক্ষণ পর পাশের একটি এলাকা দিয়ে আবারো চেষ্টা করে সেখানে গ্রামবাসীরা বাঁধা দিলে তারা সেখান থেকেও ফিরিয়ে নেন।
শুণ্যরেখায় বসবাস করা ভারতীয় নাগরিক নুর ইসলাম নামের এক যুবক জানান,আমি দেখেছি তারা ২৮জন ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন নারী এবং চব্বিশ জন পুরুষ রয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কিছু বিএসএফ এবং ভারতীয় পুলিশ সদস্য ছিলেন। রাত একটার দিকে তারা ভারতের কাঁটাতারে বেড়ার ভেতরে প্রবেশ করেছে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মাহাবুর রহমান জানান,পুশইনের ঘটনায় আমরা প্রতিহত করেছি। স্থানীয় গ্রামবাসী আমাদের সহায়তা করেছেন। আমাদের পাশাপাশি গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে টহল দিচ্ছেন।। পুশইন ঠেকাতে এই এলাকায় আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।
Leave a Reply