পীরগঞ্জের বাঁশপুকুরিয়া এতিমখানার কমিটি গঠনে জালিয়াতির অভিযোগ
পীরগঞ্জ (রংপুর) বজ্রকথা প্রতিনিধি।- রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড় আলমপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাঁশপুকুরিয়া এতিমখানার পকেট কমিটি গঠন ও অনুমোদন দেয়ার অভিযোগে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির বিরুদ্ধে গোপনে কমিটি বানিয়ে এতিমখানার সরকারি অনুদান ও ধর্মীয় তহবিল হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টার অভিযোগ এনে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সমাজসেবা কার্যালয়ে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁশপুকুরিয়া এতিমখানার কার্যকরী কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে সভা ডেকে বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত না করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের পদ-পদবি ধরে রাখতে গোপনে পকেট কমিটি গঠন করেছেন বলে অীবিযোগ উঠেছে। তারা এলাকার আলেম-ওলামা, বিশিষ্টজন ও সাধারণ মানুষকে অন্ধকারে রেখে অনৈতিকভাবে উপজেলা ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে নতুন কমিটি অনুমোদন নিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এতিমখানার মতো একটি সংবেদনশীল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও সুবিধা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল এ ধরনের বেআইনি তৎপরতা চালাচ্ছে। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বিনষ্ট হচ্ছে এবং যেকোনো মুহূর্তে এলাকায় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মুকুল মন্ডল সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সম্প্রতি রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক, পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মাদরাসাটির মোহতামিম হাফেজ মো: সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমাদের আগের কার্যকরী কমিটি কোন প্রকার অর্থ তছরুপ করেনি। আগের মোহতামিমের চাকরি চলে যাওয়ায় তার সমর্থকেরা মাদরাসার সুনাম ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচারে ব্যস্ত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা সমাজ সেবা মন্ত্রণালয় থেকে ৪২ জন শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাপিটেশন গ্রান্টের টাকা পাই।
Leave a Reply